শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

বুলডোজার দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দেয়ায় স্বামী-স্ত্রী কারাগারে

#
news image

হবিগঞ্জ শহরে ভাড়াটে লোকদের দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দিতে গিয়ে ধরা খেলেন স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে দখলদারদের পুলিশে হস্তান্তর করে। শহরের দানেশ্বরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়াত বড় ভাইয়ের জায়গা নিয়ে ভাবি ও ভাতিজির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল দেবাশীষ রায় প্রবাল ও তার স্ত্রী আলো রায়ের। সম্প্রতি বাবার জায়গায় বিধবা মায়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেন মেয়ে ঋত্বিকা সাহা। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চাচা প্রবাল ও তার স্ত্রী।

গত শনিবার সকালে ভাড়াটে লোকদের নিয়ে ভাবির ঘরটি ভাঙতে যান প্রবাল। এ সময় বুলডোজার দিয়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করলে বাধা দেন ঋত্বিকা ও তার মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাল ও তার ভাড়াটে লোকজন মা-মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। একপর্যায়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন স্থানীয় লোকজন। তারা ঋত্বিকা ও তার মাকে উদ্ধার করে দখলদারদের গণপিটুনির প্রস্তুতি নেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দখল ও হামলার অভিযোগে প্রবাল ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় জনগণ তাদের ধিক্কার জানিয়ে ডিম ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে বুলডোজার ও একটি ট্রাক জব্দ করে সেনাবাহিনী।

এ ব্যাপারে আহত ঋত্বিকা সাহা বলেন, ‘আমার বাবা নাই। বিধবা মায়ের জন্য আমি একটা ঘর বানিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এ ঘরটিও তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বাধা দেয়ায় আমার বৃদ্ধ মাকে তারা রড দিয়ে মেরে আহত করেছে। আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তাদের গুন্ডা বাহিনী আমাকে মেরে আমার গলার স্বর্ণের হার ও চুড়ি ছিনিয়ে নেয়। আমরা তাদের বিচার চাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ

১-১-২০২৫ দুপুর ৪:২

news image

হবিগঞ্জ শহরে ভাড়াটে লোকদের দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দিতে গিয়ে ধরা খেলেন স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে দখলদারদের পুলিশে হস্তান্তর করে। শহরের দানেশ্বরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়াত বড় ভাইয়ের জায়গা নিয়ে ভাবি ও ভাতিজির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল দেবাশীষ রায় প্রবাল ও তার স্ত্রী আলো রায়ের। সম্প্রতি বাবার জায়গায় বিধবা মায়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেন মেয়ে ঋত্বিকা সাহা। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চাচা প্রবাল ও তার স্ত্রী।

গত শনিবার সকালে ভাড়াটে লোকদের নিয়ে ভাবির ঘরটি ভাঙতে যান প্রবাল। এ সময় বুলডোজার দিয়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করলে বাধা দেন ঋত্বিকা ও তার মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাল ও তার ভাড়াটে লোকজন মা-মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। একপর্যায়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন স্থানীয় লোকজন। তারা ঋত্বিকা ও তার মাকে উদ্ধার করে দখলদারদের গণপিটুনির প্রস্তুতি নেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দখল ও হামলার অভিযোগে প্রবাল ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় জনগণ তাদের ধিক্কার জানিয়ে ডিম ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে বুলডোজার ও একটি ট্রাক জব্দ করে সেনাবাহিনী।

এ ব্যাপারে আহত ঋত্বিকা সাহা বলেন, ‘আমার বাবা নাই। বিধবা মায়ের জন্য আমি একটা ঘর বানিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এ ঘরটিও তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বাধা দেয়ায় আমার বৃদ্ধ মাকে তারা রড দিয়ে মেরে আহত করেছে। আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তাদের গুন্ডা বাহিনী আমাকে মেরে আমার গলার স্বর্ণের হার ও চুড়ি ছিনিয়ে নেয়। আমরা তাদের বিচার চাই’