শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

বুলডোজার দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দেয়ায় স্বামী-স্ত্রী কারাগারে

#
news image

হবিগঞ্জ শহরে ভাড়াটে লোকদের দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দিতে গিয়ে ধরা খেলেন স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে দখলদারদের পুলিশে হস্তান্তর করে। শহরের দানেশ্বরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়াত বড় ভাইয়ের জায়গা নিয়ে ভাবি ও ভাতিজির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল দেবাশীষ রায় প্রবাল ও তার স্ত্রী আলো রায়ের। সম্প্রতি বাবার জায়গায় বিধবা মায়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেন মেয়ে ঋত্বিকা সাহা। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চাচা প্রবাল ও তার স্ত্রী।

গত শনিবার সকালে ভাড়াটে লোকদের নিয়ে ভাবির ঘরটি ভাঙতে যান প্রবাল। এ সময় বুলডোজার দিয়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করলে বাধা দেন ঋত্বিকা ও তার মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাল ও তার ভাড়াটে লোকজন মা-মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। একপর্যায়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন স্থানীয় লোকজন। তারা ঋত্বিকা ও তার মাকে উদ্ধার করে দখলদারদের গণপিটুনির প্রস্তুতি নেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দখল ও হামলার অভিযোগে প্রবাল ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় জনগণ তাদের ধিক্কার জানিয়ে ডিম ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে বুলডোজার ও একটি ট্রাক জব্দ করে সেনাবাহিনী।

এ ব্যাপারে আহত ঋত্বিকা সাহা বলেন, ‘আমার বাবা নাই। বিধবা মায়ের জন্য আমি একটা ঘর বানিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এ ঘরটিও তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বাধা দেয়ায় আমার বৃদ্ধ মাকে তারা রড দিয়ে মেরে আহত করেছে। আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তাদের গুন্ডা বাহিনী আমাকে মেরে আমার গলার স্বর্ণের হার ও চুড়ি ছিনিয়ে নেয়। আমরা তাদের বিচার চাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ

১-১-২০২৫ দুপুর ৪:২

news image

হবিগঞ্জ শহরে ভাড়াটে লোকদের দিয়ে ভাবির ঘর গুঁড়িয়ে দিতে গিয়ে ধরা খেলেন স্বামী-স্ত্রী। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা তাদের আটক করে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে দখলদারদের পুলিশে হস্তান্তর করে। শহরের দানেশ্বরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়াত বড় ভাইয়ের জায়গা নিয়ে ভাবি ও ভাতিজির সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল দেবাশীষ রায় প্রবাল ও তার স্ত্রী আলো রায়ের। সম্প্রতি বাবার জায়গায় বিধবা মায়ের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেন মেয়ে ঋত্বিকা সাহা। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চাচা প্রবাল ও তার স্ত্রী।

গত শনিবার সকালে ভাড়াটে লোকদের নিয়ে ভাবির ঘরটি ভাঙতে যান প্রবাল। এ সময় বুলডোজার দিয়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দিতে শুরু করলে বাধা দেন ঋত্বিকা ও তার মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাল ও তার ভাড়াটে লোকজন মা-মেয়েকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। একপর্যায়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন স্থানীয় লোকজন। তারা ঋত্বিকা ও তার মাকে উদ্ধার করে দখলদারদের গণপিটুনির প্রস্তুতি নেন। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দখল ও হামলার অভিযোগে প্রবাল ও তার স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী। থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় জনগণ তাদের ধিক্কার জানিয়ে ডিম ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে বুলডোজার ও একটি ট্রাক জব্দ করে সেনাবাহিনী।

এ ব্যাপারে আহত ঋত্বিকা সাহা বলেন, ‘আমার বাবা নাই। বিধবা মায়ের জন্য আমি একটা ঘর বানিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এ ঘরটিও তারা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। আমরা বাধা দেয়ায় আমার বৃদ্ধ মাকে তারা রড দিয়ে মেরে আহত করেছে। আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছে। তাদের গুন্ডা বাহিনী আমাকে মেরে আমার গলার স্বর্ণের হার ও চুড়ি ছিনিয়ে নেয়। আমরা তাদের বিচার চাই’