শিরোনামঃ
ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া ঢাবি সিনেট সদস্য নির্বাচিত বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

রংপুরে কোটা আন্দোলনে পুলিশের টিয়ারশেলে নিহত বেরোবি শিক্ষার্থী

#
news image

রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ (২২) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর নগরীর বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ছোড়া টিয়ারশেলের আঘাতে তার মৃত্যু হয়।

নিহত আবু সাঈদ ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার উত্তম কুমার পাল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে খামার মোড় থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা বেরোবির মূল ফটকের দিকে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশ প্রায় ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট টিয়ারশেল ছোড়ে। একটি টিয়ারশেল সরাসরি আবু সাঈদের মাথায় লাগলে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাথে মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে। আন্দোলনকারীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিকেল পর্যন্ত ক্যাম্পাস আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এস. এম. নাসিম

১৬-৭-২০২৪ দুপুর ৪:৪৩

news image

রংপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ (২২) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুর নগরীর বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ছোড়া টিয়ারশেলের আঘাতে তার মৃত্যু হয়।

নিহত আবু সাঈদ ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার উত্তম কুমার পাল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে খামার মোড় থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা বেরোবির মূল ফটকের দিকে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশ প্রায় ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট টিয়ারশেল ছোড়ে। একটি টিয়ারশেল সরাসরি আবু সাঈদের মাথায় লাগলে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাথে মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে। আন্দোলনকারীরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিকেল পর্যন্ত ক্যাম্পাস আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ক্ষোভ বিরাজ করছে।