শিরোনামঃ
মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ, কী হবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক? রিফাইনারির অনুমতি পেতে আগের নাকচের তথ্য গোপন? তদন্তে বিপিসি সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের জোটে বাংলাদেশ: সামনে বড় কূটনৈতিক পরীক্ষা ব্যক্তির বক্তব্য নয়, পররাষ্ট্রনীতি হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক

৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা

#
news image

সরকারি নির্দেশনায় ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমর্পিত পেনশনের অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবিতে গঠিত ‘৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ’-এর অভিষেক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর মালিবাগের হোসাফ টাওয়ারের লেভেল-৪-এ সকাল ১০টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ড. রুহুল আমিন চৌধুরী।

সভায় ফজলুল হক মনোয়ার, খন্দকার আবিদ আহম্মেদ, মো. মনিরুল ইসলাম শেখ, মো. ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, মর্জিনা খাতুন, সদস্য (নীতি নির্ধারণী পরিষদ)-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সর্বস্তরের পেনশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারি নির্দেশনায় পূর্বে সমর্পণ করা ৫০ শতাংশ পেনশনের অর্থ ফেরত দেওয়া, পেনশনারদের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় হয়।

বক্তারা সরকারি পেনশন ব্যবস্থায় বিদ্যমান বিভিন্ন অসামঞ্জস্য ও বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে ৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে জারি করা এবং ১ জুলাই ২০১৭ থেকে কার্যকর হওয়া প্রজ্ঞাপনের ফলে পেনশন ব্যবস্থায় সৃষ্ট বৈষম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন তাঁরা।

সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, যেসব পেনশনার ১ জুলাই ২০১৭-এর আগে শতভাগ (১০০ শতাংশ) পেনশন উত্তোলন করেছিলেন, তাঁদের একটি নির্দিষ্ট সময় পর প্রজ্ঞাপন নং-০৭.০০.০০০০.১৭১.১৩.০১৩.১৪-২৮, তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০১৮-এর মাধ্যমে কোনো অতিরিক্ত বিনিয়োগ ছাড়াই পুনরায় পেনশন পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, ১ জুলাই ২০১৭ থেকে কার্যকর সরকারি আদেশের আওতায় ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী পেনশনারদের সমর্পিত অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য এখনো কোনো নীতি বা বিধান চালু হয়নি বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। বক্তারা এ বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক ও অমানবিক বলে অভিহিত করেন।

বক্তারা বলেন, একই দেশের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন নীতি ও বিধান কার্যকর থাকা ন্যায়সংগত নয়। অবসর-পরবর্তী জীবনে পেনশনারদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভা থেকে ৫০ শতাংশ সমর্পিত পেনশনের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও বিধান প্রণয়ন, পেনশনারদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি বিবেচনা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩১-৮-২০২৬ দুপুর ২:১৪

news image

সরকারি নির্দেশনায় ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমর্পিত পেনশনের অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবিতে গঠিত ‘৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ’-এর অভিষেক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর মালিবাগের হোসাফ টাওয়ারের লেভেল-৪-এ সকাল ১০টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ড. রুহুল আমিন চৌধুরী।

সভায় ফজলুল হক মনোয়ার, খন্দকার আবিদ আহম্মেদ, মো. মনিরুল ইসলাম শেখ, মো. ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, মর্জিনা খাতুন, সদস্য (নীতি নির্ধারণী পরিষদ)-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সর্বস্তরের পেনশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকারি নির্দেশনায় পূর্বে সমর্পণ করা ৫০ শতাংশ পেনশনের অর্থ ফেরত দেওয়া, পেনশনারদের বিভিন্ন ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় হয়।

বক্তারা সরকারি পেনশন ব্যবস্থায় বিদ্যমান বিভিন্ন অসামঞ্জস্য ও বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে ৯ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে জারি করা এবং ১ জুলাই ২০১৭ থেকে কার্যকর হওয়া প্রজ্ঞাপনের ফলে পেনশন ব্যবস্থায় সৃষ্ট বৈষম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন তাঁরা।

সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, যেসব পেনশনার ১ জুলাই ২০১৭-এর আগে শতভাগ (১০০ শতাংশ) পেনশন উত্তোলন করেছিলেন, তাঁদের একটি নির্দিষ্ট সময় পর প্রজ্ঞাপন নং-০৭.০০.০০০০.১৭১.১৩.০১৩.১৪-২৮, তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০১৮-এর মাধ্যমে কোনো অতিরিক্ত বিনিয়োগ ছাড়াই পুনরায় পেনশন পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, ১ জুলাই ২০১৭ থেকে কার্যকর সরকারি আদেশের আওতায় ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী পেনশনারদের সমর্পিত অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য এখনো কোনো নীতি বা বিধান চালু হয়নি বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। বক্তারা এ বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক ও অমানবিক বলে অভিহিত করেন।

বক্তারা বলেন, একই দেশের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন নীতি ও বিধান কার্যকর থাকা ন্যায়সংগত নয়। অবসর-পরবর্তী জীবনে পেনশনারদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভা থেকে ৫০ শতাংশ সমর্পিত পেনশনের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও বিধান প্রণয়ন, পেনশনারদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি বিবেচনা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ৫০ শতাংশ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে।