শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত

#
news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।