শিরোনামঃ
ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া ঢাবি সিনেট সদস্য নির্বাচিত বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অর্জন: এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ

#
news image

প্রায় দেড় যুগের নির্বাসন ভেঙে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ব্যক্তিগত বা দলীয় অর্জনে সীমাবদ্ধ না রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করার কথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রমাণ করে যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ দেশে ফেরার অধিকার রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মাধ্যমেও রুদ্ধ করে রাখা যায় না। তিনি বলেন, স্বৈরাচার যত শক্তিশালীই হোক না কেন, জনগণের রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তিকে চিরতরে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে তারেক রহমান ও তার পরিবার যে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং নির্বাসনে বাধ্য হয়েছেন, তা গত দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের একটি উন্মুক্ত দলিল।

তিনি আরও বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য আহতের ত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণেই এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই নেতা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৪

news image

প্রায় দেড় যুগের নির্বাসন ভেঙে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ব্যক্তিগত বা দলীয় অর্জনে সীমাবদ্ধ না রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করার কথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রমাণ করে যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতার নিজ দেশে ফেরার অধিকার রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের মাধ্যমেও রুদ্ধ করে রাখা যায় না। তিনি বলেন, স্বৈরাচার যত শক্তিশালীই হোক না কেন, জনগণের রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তিকে চিরতরে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে তারেক রহমান ও তার পরিবার যে দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং নির্বাসনে বাধ্য হয়েছেন, তা গত দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের একটি উন্মুক্ত দলিল।

তিনি আরও বলেন, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ, অসংখ্য আহতের ত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণেই এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই নেতা।