শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

মিরপুরের আরামবাগ এসটিএসে জে-ড্রাম স্থাপন

#
news image

সম্প্রতি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সহায়তায় রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত আরামবাগ সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) সফলভাবে উদ্ভাবনী বর্জ্য সংকোচন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা জে-ড্রাম স্থাপন করেছে জাপান ক্লিন সিস্টেম কো., লিমিটেড (জেসিএস)। নতুন এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এ উদ্যোগ দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এবিএম শামসুল আলম। অন্যদিকে, জেসিএস -এর পক্ষ থেকে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাসাতাকা ইয়ামানো। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি মিস ইজুমি শোজিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।

এসটিএস -এ বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যেমন: অদক্ষ প্রচলিত উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কমপ্যাক্টর ট্রাকের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা এবং দুর্গন্ধ ও তরল বর্জ্য নিঃসরণের মতো পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে কাজ করে জে-ড্রাম সিস্টেম। এছাড়াও, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্জ্য বোঝাই এবং খালাস করার মাধ্যমে জে-ড্রাম পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে, শারিরীক শ্রমের পরিমাণ কমিয়ে আনবে এবং এসটিএস -এ ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে। 

এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে জায়গায় এটি স্থাপন করা হয়, এটি সে স্থানের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং এর স্বয়ংক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীদের দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে, এর অত্যাধুনিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত সংরক্ষণ ব্যবস্থা দুর্গন্ধ, শব্দ ও পানি ফুটো হয়ে নিঃসরণ হওয়া প্রতিরোধ করে। স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি হওয়ায় এ ব্যবস্থা টেকসই। জাপান ক্লিন সিস্টেম কো., লিমিটেডের বিশ্বব্যাপী ১,৬০০টিরও বেশি ইউনিট স্থাপনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। জাপানে প্রতিষ্ঠানটির বাজার হিস্যা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ।

এই স্থাপনাটি ‘এসডিজি  বিজনেস ভেরিফিকেশন সার্ভে’ -এর আওতাধীন প্রকল্পের অংশ। এর লক্ষ্য হল বাংলাদেশে দক্ষ ও স্বাস্থ্যসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার প্রসার এবং পাশাপাশি, খরচ কমানো ও সহজলভ্যতা বাড়ানোর জন্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা উন্মোচনে ভূমিকা রাখা। 

প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এই নতুন ব্যবস্থাপনাটি এসটিএস কর্মীদের কাজের পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে। এতে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এর পরিবহন খরচ কমবে। তাছাড়া, এসটিএস ও ব্যক্তি মালিকানাধীন স্থাপনার আশেপাশের পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধির উন্নতি হবে, যা বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।   

বিজ্ঞপ্তি

২৪-১২-২০২৫ রাত ১০:৫২

news image

সম্প্রতি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সহায়তায় রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত আরামবাগ সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) সফলভাবে উদ্ভাবনী বর্জ্য সংকোচন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা জে-ড্রাম স্থাপন করেছে জাপান ক্লিন সিস্টেম কো., লিমিটেড (জেসিএস)। নতুন এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। এ উদ্যোগ দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এবিএম শামসুল আলম। অন্যদিকে, জেসিএস -এর পক্ষ থেকে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাসাতাকা ইয়ামানো। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি মিস ইজুমি শোজিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।

এসটিএস -এ বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যেমন: অদক্ষ প্রচলিত উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কমপ্যাক্টর ট্রাকের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা এবং দুর্গন্ধ ও তরল বর্জ্য নিঃসরণের মতো পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে কাজ করে জে-ড্রাম সিস্টেম। এছাড়াও, স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্জ্য বোঝাই এবং খালাস করার মাধ্যমে জে-ড্রাম পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে, শারিরীক শ্রমের পরিমাণ কমিয়ে আনবে এবং এসটিএস -এ ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবে। 

এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে জায়গায় এটি স্থাপন করা হয়, এটি সে স্থানের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং এর স্বয়ংক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মীদের দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে, এর অত্যাধুনিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত সংরক্ষণ ব্যবস্থা দুর্গন্ধ, শব্দ ও পানি ফুটো হয়ে নিঃসরণ হওয়া প্রতিরোধ করে। স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি হওয়ায় এ ব্যবস্থা টেকসই। জাপান ক্লিন সিস্টেম কো., লিমিটেডের বিশ্বব্যাপী ১,৬০০টিরও বেশি ইউনিট স্থাপনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। জাপানে প্রতিষ্ঠানটির বাজার হিস্যা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ।

এই স্থাপনাটি ‘এসডিজি  বিজনেস ভেরিফিকেশন সার্ভে’ -এর আওতাধীন প্রকল্পের অংশ। এর লক্ষ্য হল বাংলাদেশে দক্ষ ও স্বাস্থ্যসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার প্রসার এবং পাশাপাশি, খরচ কমানো ও সহজলভ্যতা বাড়ানোর জন্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের সম্ভাবনা উন্মোচনে ভূমিকা রাখা। 

প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এই নতুন ব্যবস্থাপনাটি এসটিএস কর্মীদের কাজের পরিবেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে। এতে পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এর পরিবহন খরচ কমবে। তাছাড়া, এসটিএস ও ব্যক্তি মালিকানাধীন স্থাপনার আশেপাশের পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধির উন্নতি হবে, যা বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।