শিরোনামঃ
সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করা নেতাদের দলে ঠাঁই হবে না : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

কোটিপতি হিসাব বাড়লেও আমানত কমেছে; 'ঘরে লুকানো টাকা এখন ব্যাংকে'- মত অর্থ উপদেষ্টার

#
news image

দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, এই হিসাবগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, অনেকে দীর্ঘদিনের লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা হতে পারে অনেকদিন ধরে টাকা লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির ভিতরে, এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছে।" তবে তিনি এ-ও স্বীকার করেন যে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বা 'টাকা-পয়সা যে নেই' অনেক ক্ষেত্রে সেটাও সত্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টিতে। জুন প্রান্তিক শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। অর্থাৎ তিন মাসে নতুন করে ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে।

তবে এই কোটিপতি হিসাবগুলোতে মোট জমার পরিমাণ বড় অঙ্কে কমেছে। জুন শেষে এই অ্যাকাউন্টগুলোতে মোট জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাবের মোট আমানত ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে মোট অ্যাকাউন্ট দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে, যা জুন শেষে ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। তিন মাসে নতুন করে প্রায় ৫৬ লাখ হিসাব খোলা হয়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে বেড়ে হয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫টি। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে এই সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। যেমন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং চলতি বছর মার্চ শেষে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি হিসাব ছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১১:৭

news image

দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, এই হিসাবগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, অনেকে দীর্ঘদিনের লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা হতে পারে অনেকদিন ধরে টাকা লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির ভিতরে, এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছে।" তবে তিনি এ-ও স্বীকার করেন যে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বা 'টাকা-পয়সা যে নেই' অনেক ক্ষেত্রে সেটাও সত্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টিতে। জুন প্রান্তিক শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। অর্থাৎ তিন মাসে নতুন করে ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে।

তবে এই কোটিপতি হিসাবগুলোতে মোট জমার পরিমাণ বড় অঙ্কে কমেছে। জুন শেষে এই অ্যাকাউন্টগুলোতে মোট জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাবের মোট আমানত ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে মোট অ্যাকাউন্ট দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে, যা জুন শেষে ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। তিন মাসে নতুন করে প্রায় ৫৬ লাখ হিসাব খোলা হয়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে বেড়ে হয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫টি। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে এই সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। যেমন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং চলতি বছর মার্চ শেষে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি হিসাব ছিল।