শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

কোটিপতি হিসাব বাড়লেও আমানত কমেছে; 'ঘরে লুকানো টাকা এখন ব্যাংকে'- মত অর্থ উপদেষ্টার

#
news image

দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, এই হিসাবগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, অনেকে দীর্ঘদিনের লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা হতে পারে অনেকদিন ধরে টাকা লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির ভিতরে, এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছে।" তবে তিনি এ-ও স্বীকার করেন যে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বা 'টাকা-পয়সা যে নেই' অনেক ক্ষেত্রে সেটাও সত্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টিতে। জুন প্রান্তিক শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। অর্থাৎ তিন মাসে নতুন করে ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে।

তবে এই কোটিপতি হিসাবগুলোতে মোট জমার পরিমাণ বড় অঙ্কে কমেছে। জুন শেষে এই অ্যাকাউন্টগুলোতে মোট জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাবের মোট আমানত ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে মোট অ্যাকাউন্ট দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে, যা জুন শেষে ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। তিন মাসে নতুন করে প্রায় ৫৬ লাখ হিসাব খোলা হয়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে বেড়ে হয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫টি। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে এই সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। যেমন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং চলতি বছর মার্চ শেষে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি হিসাব ছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১১:৭

news image

দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও, এই হিসাবগুলোতে মোট আমানতের পরিমাণ কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে কোটিপতি অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, অনেকে দীর্ঘদিনের লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটা হতে পারে অনেকদিন ধরে টাকা লুকিয়ে রেখেছিল বাড়ির ভিতরে, এখন ব্যাংকে জমা দিচ্ছে।" তবে তিনি এ-ও স্বীকার করেন যে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বা 'টাকা-পয়সা যে নেই' অনেক ক্ষেত্রে সেটাও সত্য।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০টিতে। জুন প্রান্তিক শেষে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৩৩৬টি। অর্থাৎ তিন মাসে নতুন করে ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে।

তবে এই কোটিপতি হিসাবগুলোতে মোট জমার পরিমাণ বড় অঙ্কে কমেছে। জুন শেষে এই অ্যাকাউন্টগুলোতে মোট জমা ছিল ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতি হিসাবের মোট আমানত ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। সেপ্টেম্বর শেষে মোট অ্যাকাউন্ট দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টিতে, যা জুন শেষে ছিল ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। তিন মাসে নতুন করে প্রায় ৫৬ লাখ হিসাব খোলা হয়েছে।

একই সময়ে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে বেড়ে হয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫টি। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনে এই সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েছে। যেমন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩টি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং চলতি বছর মার্চ শেষে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি কোটিপতি হিসাব ছিল।