শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, চলতি বছরে মৃত ৪০১

#
news image

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের দুজন ঢাকা দক্ষিণের এবং একজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০১। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪২১ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৮ হাজার ৭০৫। সর্বোচ্চ ৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা দক্ষিণে ৭২ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৭৩ জন ভর্তি হন। এছাড়া বরিশালে ৬৪, চট্টগ্রামে ৬৩, খুলনায় ৩০, ময়মনসিংহে ১১, রাজশাহীতে ১২ এবং রংপুর বিভাগে একজন ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে পুরুষ ৬২ দশমিক ৪০ শতাংশ, নারী ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৯৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বছর মৃত্যু হিসাবেও সবচেয়ে বেশি ১৮৭ জন মারা গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। ঢাকা উত্তরে মৃত্যু ৬৭, বরিশালে ৪৮, চট্টগ্রামে ৩১, রাজশাহীতে ২০, ময়মনসিংহে ২৪, খুলনায় ১৩, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৯ এবং সিলেট বিভাগে ২ জন মারা গেছেন।

পূর্ববর্তী বছরগুলোতে ডেঙ্গুর প্রভাব ছিল আরও বেশি। ২০২৪ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয় এক হাজার ৭০৫ জন—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে আক্রান্ত হন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন এবং মারা যান আনুমানিক ৩০০ জন।

এদিকে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে এসআইটি বা ‘বন্ধ্যা কিট প্রযুক্তি’ ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত প্রয়োজন। মেগাসিটি ঢাকার বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় জনসচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও নাগরিক অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।”

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৪৪

news image

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের দুজন ঢাকা দক্ষিণের এবং একজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০১। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪২১ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৮ হাজার ৭০৫। সর্বোচ্চ ৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাসপাতালে। ঢাকা দক্ষিণে ৭২ জন, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৭৩ জন ভর্তি হন। এছাড়া বরিশালে ৬৪, চট্টগ্রামে ৬৩, খুলনায় ৩০, ময়মনসিংহে ১১, রাজশাহীতে ১২ এবং রংপুর বিভাগে একজন ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে পুরুষ ৬২ দশমিক ৪০ শতাংশ, নারী ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৯৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বছর মৃত্যু হিসাবেও সবচেয়ে বেশি ১৮৭ জন মারা গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। ঢাকা উত্তরে মৃত্যু ৬৭, বরিশালে ৪৮, চট্টগ্রামে ৩১, রাজশাহীতে ২০, ময়মনসিংহে ২৪, খুলনায় ১৩, ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ৯ এবং সিলেট বিভাগে ২ জন মারা গেছেন।

পূর্ববর্তী বছরগুলোতে ডেঙ্গুর প্রভাব ছিল আরও বেশি। ২০২৪ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মৃত্যু হয় এক হাজার ৭০৫ জন—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে আক্রান্ত হন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন এবং মারা যান আনুমানিক ৩০০ জন।

এদিকে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে এসআইটি বা ‘বন্ধ্যা কিট প্রযুক্তি’ ব্যবহারের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় অত্যন্ত প্রয়োজন। মেগাসিটি ঢাকার বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় জনসচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও নাগরিক অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।”