শিরোনামঃ
সংসদে হাসনাতের বক্তব্য ও বিভিন্ন দেশের রুলিং ও সংসদীয় রীতিনীতি অসহায় বৃদ্ধের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প

জামায়াতের ‘জাতীয় সরকার’ বার্তা—নির্বাচনকে ঘিরে সমীকরণ বদলাবে কি?

#
news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১২-২০২৫ রাত ১২:২২

news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।