শিরোনামঃ
ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া ঢাবি সিনেট সদস্য নির্বাচিত বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

ভর্তি বাতিলে রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদ ঝুঁকিতে, সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট

#
news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৯

news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।