শিরোনামঃ
বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেলেন ২০ নারী আইসিসিবিতে সুপার সেল কার বাজার, ক্রেতা-বিক্রেতার সাড়ায় সময় বাড়ল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে গুলশান ক্লাব ও চট্টগ্রাম ক্লাবের ক্রীড়া উৎসব বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী

ভর্তি বাতিলে রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদ ঝুঁকিতে, সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট

#
news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৯

news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।