শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ভর্তি বাতিলে রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদ ঝুঁকিতে, সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট

#
news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৯

news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।