শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

ষড়যন্ত্র ও সহায়তা প্রমাণিত; ছয় আসামির যাবজ্জীবন বহাল রাখল হাইকোর্ট

#
news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।