শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

ষড়যন্ত্র ও সহায়তা প্রমাণিত; ছয় আসামির যাবজ্জীবন বহাল রাখল হাইকোর্ট

#
news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।