শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

নড়িয়া সরকারি কলেজে পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষকদের কর্মবিরতি

#
news image

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সরকারি কলেজ চত্বরে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন প্রভাষকেরা। রোববার সকাল থেকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, নড়িয়া সরকারি কলেজ ইউনিটের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ইউনিটের আহ্বায়ক মো. মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলমের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের প্রায় আড়াই হাজার প্রভাষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। প্রাপ্য পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতা ও অযথা বিলম্বের কারণে তাদের পদোন্নতির গেজেট প্রকাশ ঝুলে আছে। ন্যায্য পদোন্নতির আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন ক্যাডারে পদোন্নতির যোগ্য না হলেও অনেককে যোগ্যতা দেখিয়ে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও ডেকে এনে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকেরা যৌক্তিক পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। 'আমরা শিক্ষক, আমরা পাঠদানে ফিরতে চাই; কর্মবিরতিতে থাকতে চাই না। আমাদের দাবি একটাই- যেদিন থেকে আমরা পদোন্নতির যোগ্য হয়েছি, সেদিন থেকেই ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে হবে।' -বলেন তারা।

আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিটের সদস্য সচিব আবু রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, খোন্দকার রেজওয়ান তানভীর, কোষাধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক আবু মুসা, আইসিটি সম্পাদক এলিয়াস শাওন ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিক, সহ-প্রচার সম্পাদক তুষার আব্দুল্লাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কাইয়ুম মুন্সী, ফাতেমা আক্তার, উল্লাস পাল, আব্দুল আজিজ, শামীম ইয়াজদানি এবং কলেজের অন্যান্য সিনিয়র শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞপ্তি

১৭-১১-২০২৫ রাত ৯:১৩

news image

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সরকারি কলেজ চত্বরে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন প্রভাষকেরা। রোববার সকাল থেকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, নড়িয়া সরকারি কলেজ ইউনিটের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ইউনিটের আহ্বায়ক মো. মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলমের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের প্রায় আড়াই হাজার প্রভাষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। প্রাপ্য পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতা ও অযথা বিলম্বের কারণে তাদের পদোন্নতির গেজেট প্রকাশ ঝুলে আছে। ন্যায্য পদোন্নতির আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন ক্যাডারে পদোন্নতির যোগ্য না হলেও অনেককে যোগ্যতা দেখিয়ে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও ডেকে এনে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকেরা যৌক্তিক পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। 'আমরা শিক্ষক, আমরা পাঠদানে ফিরতে চাই; কর্মবিরতিতে থাকতে চাই না। আমাদের দাবি একটাই- যেদিন থেকে আমরা পদোন্নতির যোগ্য হয়েছি, সেদিন থেকেই ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে হবে।' -বলেন তারা।

আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিটের সদস্য সচিব আবু রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, খোন্দকার রেজওয়ান তানভীর, কোষাধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক আবু মুসা, আইসিটি সম্পাদক এলিয়াস শাওন ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিক, সহ-প্রচার সম্পাদক তুষার আব্দুল্লাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কাইয়ুম মুন্সী, ফাতেমা আক্তার, উল্লাস পাল, আব্দুল আজিজ, শামীম ইয়াজদানি এবং কলেজের অন্যান্য সিনিয়র শিক্ষক-কর্মকর্তারা।