শিরোনামঃ
বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বেসরকারি জ্বালানি আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা: অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশন জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাত: সম্ভাবনার সঙ্গে বড় ঝুঁকিও ৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন মামুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সাদা মনের আদর্শবান শিক্ষক যখন জাতির অভিভাবক ‘ফ্যাসিস্ট’ বললেই কি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে যায়? নিঝুম দ্বীপের বালিতে ২৫ শতাংশ মূল্যবান ভারী খনিজের সন্ধান লোকসান কাটাতে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ভর্তুকি চায় বিপিসি বেসরকারি বিনিয়োগেই বদলাতে পারে জ্বালানি খাত

নড়িয়া সরকারি কলেজে পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষকদের কর্মবিরতি

#
news image

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সরকারি কলেজ চত্বরে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন প্রভাষকেরা। রোববার সকাল থেকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, নড়িয়া সরকারি কলেজ ইউনিটের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ইউনিটের আহ্বায়ক মো. মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলমের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের প্রায় আড়াই হাজার প্রভাষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। প্রাপ্য পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতা ও অযথা বিলম্বের কারণে তাদের পদোন্নতির গেজেট প্রকাশ ঝুলে আছে। ন্যায্য পদোন্নতির আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন ক্যাডারে পদোন্নতির যোগ্য না হলেও অনেককে যোগ্যতা দেখিয়ে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও ডেকে এনে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকেরা যৌক্তিক পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। 'আমরা শিক্ষক, আমরা পাঠদানে ফিরতে চাই; কর্মবিরতিতে থাকতে চাই না। আমাদের দাবি একটাই- যেদিন থেকে আমরা পদোন্নতির যোগ্য হয়েছি, সেদিন থেকেই ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে হবে।' -বলেন তারা।

আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিটের সদস্য সচিব আবু রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, খোন্দকার রেজওয়ান তানভীর, কোষাধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক আবু মুসা, আইসিটি সম্পাদক এলিয়াস শাওন ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিক, সহ-প্রচার সম্পাদক তুষার আব্দুল্লাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কাইয়ুম মুন্সী, ফাতেমা আক্তার, উল্লাস পাল, আব্দুল আজিজ, শামীম ইয়াজদানি এবং কলেজের অন্যান্য সিনিয়র শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞপ্তি

১৭-১১-২০২৫ রাত ৯:১৩

news image

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির দাবিতে শরীয়তপুরের নড়িয়া সরকারি কলেজ চত্বরে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন প্রভাষকেরা। রোববার সকাল থেকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদ, নড়িয়া সরকারি কলেজ ইউনিটের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ইউনিটের আহ্বায়ক মো. মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলমের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষকরা বলেন, সারাদেশে ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের প্রায় আড়াই হাজার প্রভাষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। প্রাপ্য পদোন্নতি না পাওয়ায় তাদের মধ্যে মারাত্মক হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতা ও অযথা বিলম্বের কারণে তাদের পদোন্নতির গেজেট প্রকাশ ঝুলে আছে। ন্যায্য পদোন্নতির আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন ক্যাডারে পদোন্নতির যোগ্য না হলেও অনেককে যোগ্যতা দেখিয়ে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও ডেকে এনে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকেরা যৌক্তিক পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। 'আমরা শিক্ষক, আমরা পাঠদানে ফিরতে চাই; কর্মবিরতিতে থাকতে চাই না। আমাদের দাবি একটাই- যেদিন থেকে আমরা পদোন্নতির যোগ্য হয়েছি, সেদিন থেকেই ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিতে হবে।' -বলেন তারা।

আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিটের সদস্য সচিব আবু রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, খোন্দকার রেজওয়ান তানভীর, কোষাধ্যক্ষ ফাতেমা আক্তার, দপ্তর সম্পাদক আবু মুসা, আইসিটি সম্পাদক এলিয়াস শাওন ভূঁইয়া, প্রচার সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিক, সহ-প্রচার সম্পাদক তুষার আব্দুল্লাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ কাইয়ুম মুন্সী, ফাতেমা আক্তার, উল্লাস পাল, আব্দুল আজিজ, শামীম ইয়াজদানি এবং কলেজের অন্যান্য সিনিয়র শিক্ষক-কর্মকর্তারা।