শিরোনামঃ
কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে প্রস্তুতি—অর্ডন্যান্স কোর সম্মেলনে সেনাপ্রধানের বার্তা

#
news image

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত আর্মি অর্ডন্যান্স কোরের ৪৫তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবার শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; ছিল ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কৌশলের দিকনির্দেশনাও। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্মেলনে যে বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের যুগে নিজেদের আরও আধুনিক করতে চায়।

সেনাপ্রধান অর্ডন্যান্স কোরকে শুধু সরঞ্জাম সরবরাহকারী ইউনিট হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা—বিশেষ করে স্মার্ট লজিস্টিকস, ইন্টেলিজেন্ট ওয়্যারহাউজিং এবং নতুন জেনারেশনের যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্ডন্যান্স কোরের এমন উন্নয়ন পরিকল্পনা সেনাবাহিনীর সামগ্রিক অপারেশনাল রেডিনেসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারণ যুদ্ধের দিন বদলেছে—সরঞ্জাম সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ এখন আর শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি হয়ে উঠেছে কৌশলগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আর্টডক ও লজিস্টিকস এরিয়ার জিওসি, বিওএফ কমান্ড্যান্টসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব উপস্থিতি প্রমাণ করে—সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় এই কোরকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও ভবিষ্যৎসম্মত করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

তানভীর সানি

১৬-১১-২০২৫ রাত ১১:১২

news image

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত আর্মি অর্ডন্যান্স কোরের ৪৫তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবার শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; ছিল ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কৌশলের দিকনির্দেশনাও। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্মেলনে যে বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের যুগে নিজেদের আরও আধুনিক করতে চায়।

সেনাপ্রধান অর্ডন্যান্স কোরকে শুধু সরঞ্জাম সরবরাহকারী ইউনিট হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা—বিশেষ করে স্মার্ট লজিস্টিকস, ইন্টেলিজেন্ট ওয়্যারহাউজিং এবং নতুন জেনারেশনের যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্ডন্যান্স কোরের এমন উন্নয়ন পরিকল্পনা সেনাবাহিনীর সামগ্রিক অপারেশনাল রেডিনেসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারণ যুদ্ধের দিন বদলেছে—সরঞ্জাম সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ এখন আর শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি হয়ে উঠেছে কৌশলগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আর্টডক ও লজিস্টিকস এরিয়ার জিওসি, বিওএফ কমান্ড্যান্টসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব উপস্থিতি প্রমাণ করে—সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় এই কোরকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও ভবিষ্যৎসম্মত করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।