শিরোনামঃ
বসুন্ধরাবাসীর কল্যাণে নতুন অফিস, যুক্ত হচ্ছে আরও সেবা সুশীল সমাজের হঠাৎ সরব হওয়া নিয়ে যত প্রশ্ন ফুটপাত দখলমুক্তে আপসহীন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাইবার সন্ত্রাস প্রতিরোধে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ কৃষি সম্প্রসারণে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট  সাভারের কামালপুরে পরিবেশবিরোধী রিসোর্ট পরিকল্পনা: সরকারি অভিযানের মুখে পড়ার চূড়ান্ত ঝুঁকিতে বিনিয়োগ বেলার মামলায় কক্সবাজারের সড়ক নির্মাণ বন্ধ, ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী আইসিসিবিতে তিন মেলা ঘিরে বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও কেনাবেচা স্বপ্নকেও হার মানানো বসুন্ধরা সুপার গলফ প্রয়াত ও অসুস্থ চার সাংবাদিকের পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

জাকির নায়েক বিতর্কে কূটনৈতিক সুর: ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন পরীক্ষায়?

#
news image

বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েকের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য মন্তব্যের পর বিষয়টি বাংলাদেশের নজরে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ড. নায়েক একজন পলাতক আসামি, যাকে নিয়ে ভারতের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে।” অপরদিকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, “আমরাও বিশ্বাস করি, কোনো দেশের অন্য দেশের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশের অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে বিষয়টি কূটনৈতিক সংবেদনশীলতায় গড়িয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের অনুমতি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জাকির নায়েকের আগমন হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের এক সূক্ষ্ম পরীক্ষায় রূপ নিতে পারে। কারণ, ভারত তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযুক্ত করেছে, আর বাংলাদেশে তার রয়েছে বিপুল অনুসারী শ্রোতাগোষ্ঠী।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মন্তব্য—“আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”—এটি ইঙ্গিত দেয়, সরকার এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিচ্ছে।

সবশেষে, স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, ড. নায়েক সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ বা ২৯ নভেম্বর ঢাকায় আসতে পারেন। তবে সরকার অনুমোদন দিলে তবেই এই সফর বাস্তবায়িত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১-১১-২০২৫ রাত ১১:১৩

news image

বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েকের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য মন্তব্যের পর বিষয়টি বাংলাদেশের নজরে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ড. নায়েক একজন পলাতক আসামি, যাকে নিয়ে ভারতের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে।” অপরদিকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, “আমরাও বিশ্বাস করি, কোনো দেশের অন্য দেশের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশের অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে বিষয়টি কূটনৈতিক সংবেদনশীলতায় গড়িয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের অনুমতি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জাকির নায়েকের আগমন হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের এক সূক্ষ্ম পরীক্ষায় রূপ নিতে পারে। কারণ, ভারত তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযুক্ত করেছে, আর বাংলাদেশে তার রয়েছে বিপুল অনুসারী শ্রোতাগোষ্ঠী।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মন্তব্য—“আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”—এটি ইঙ্গিত দেয়, সরকার এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিচ্ছে।

সবশেষে, স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, ড. নায়েক সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ বা ২৯ নভেম্বর ঢাকায় আসতে পারেন। তবে সরকার অনুমোদন দিলে তবেই এই সফর বাস্তবায়িত হবে।