শিরোনামঃ
চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত মহিউদ্দিন খান খোকন: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের এক নক্ষত্রের নাম কুমিল্লায় সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল পার্টনারস সামিট অনুষ্ঠিত পিনাকল হেলথ কেয়ারে নতুন ডেন্টাল ইউনিট ও হোম স্যাম্পল কালেকশন সার্ভিস

জাতিসংঘের আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় জাককানইবির তিন শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব

#
news image

জাতিসংঘ বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত “Youth as Catalysts of Change: Peace, Development and the SDGs” শীর্ষক যুব আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) তিন শিক্ষার্থী সেরাদের তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। তারা হলেন দর্শন বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. নওসাদ আলী, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শেখ সাকিবুর রহমান এবং একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জুবায়ের।

জাতিসংঘের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশের তরুণদের অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। “তরুণরা পরিবর্তনের অনুঘটক” শীর্ষক মূল থিমে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় শান্তি, উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বিষয়ক ভাবনাকে আলোকচিত্রে উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। নির্বাচিত ৮০ জন তরুণ আলোকচিত্রীর ৮০টি ছবি এ আয়োজনে স্থান পায়।

গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার গুলশানে অবস্থিত জাতিসংঘ ভবনে (UN House) এই প্রতিযোগিতার প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে আজ ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে অনুষ্ঠিত হবে উন্মুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনী, যেখানে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে ছবিগুলো দেখতে পারবেন। এছাড়া, নির্বাচিত ছবিগুলো জাতিসংঘ বাংলাদেশের ওয়েবসাইটেও ডিজিটাল গ্যালারির মাধ্যমে প্রদর্শিত হবে।

১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা এতে অংশ নিতে পেরেছিলেন, যার মধ্য থেকে বাছাই করা হয় সেরা ছবিগুলো। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও যুব উপদেষ্টা কমিটির প্রতিনিধি। ছবির বিষয়বস্তু, থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য, গল্প বলার দক্ষতা ও সৃজনশীলতা ছিল মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড। নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের সম্মাননাপত্র প্রদান ছাড়াও তাদের কাজ ভবিষ্যতে জাতিসংঘের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে।

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মো. নওসাদ আলী বলেন, “জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে সেরাদের তালিকায় নাম দেখতে পাওয়া আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। আমি ছবির মাধ্যমে তরুণদের ইতিবাচক উদ্যোগ ও পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরতে চেয়েছি। এই স্বীকৃতি আমার জন্য আরও দায়বদ্ধতার জায়গা তৈরি করেছে।”

একইভাবে আশরাফুল ইসলাম জুবায়ের বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের সেরা আলোকচিত্রীদের সঙ্গে নিজের নাম দেখতে পাওয়া এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সবার ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে চাই।”

এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণ আলোকচিত্রীরা শুধু তাদের শিল্পমানই নয়, সমাজ পরিবর্তনের প্রতি দায়বদ্ধতাও তুলে ধরেছেন। জাতিসংঘ বাংলাদেশের এই উদ্যোগ তরুণদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক চেতনার সমন্বয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আসাদুল্লাহ আল গালিব, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

৩১-১০-২০২৫ রাত ১২:৬

news image

জাতিসংঘ বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত “Youth as Catalysts of Change: Peace, Development and the SDGs” শীর্ষক যুব আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) তিন শিক্ষার্থী সেরাদের তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। তারা হলেন দর্শন বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. নওসাদ আলী, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শেখ সাকিবুর রহমান এবং একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জুবায়ের।

জাতিসংঘের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশের তরুণদের অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। “তরুণরা পরিবর্তনের অনুঘটক” শীর্ষক মূল থিমে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় শান্তি, উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বিষয়ক ভাবনাকে আলোকচিত্রে উপস্থাপনের আহ্বান জানানো হয়। নির্বাচিত ৮০ জন তরুণ আলোকচিত্রীর ৮০টি ছবি এ আয়োজনে স্থান পায়।

গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার গুলশানে অবস্থিত জাতিসংঘ ভবনে (UN House) এই প্রতিযোগিতার প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে আজ ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে অনুষ্ঠিত হবে উন্মুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনী, যেখানে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে ছবিগুলো দেখতে পারবেন। এছাড়া, নির্বাচিত ছবিগুলো জাতিসংঘ বাংলাদেশের ওয়েবসাইটেও ডিজিটাল গ্যালারির মাধ্যমে প্রদর্শিত হবে।

১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরা এতে অংশ নিতে পেরেছিলেন, যার মধ্য থেকে বাছাই করা হয় সেরা ছবিগুলো। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও যুব উপদেষ্টা কমিটির প্রতিনিধি। ছবির বিষয়বস্তু, থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য, গল্প বলার দক্ষতা ও সৃজনশীলতা ছিল মূল্যায়নের প্রধান মানদণ্ড। নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের সম্মাননাপত্র প্রদান ছাড়াও তাদের কাজ ভবিষ্যতে জাতিসংঘের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে।

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মো. নওসাদ আলী বলেন, “জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে সেরাদের তালিকায় নাম দেখতে পাওয়া আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত। আমি ছবির মাধ্যমে তরুণদের ইতিবাচক উদ্যোগ ও পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরতে চেয়েছি। এই স্বীকৃতি আমার জন্য আরও দায়বদ্ধতার জায়গা তৈরি করেছে।”

একইভাবে আশরাফুল ইসলাম জুবায়ের বলেন, “জাতীয় পর্যায়ের সেরা আলোকচিত্রীদের সঙ্গে নিজের নাম দেখতে পাওয়া এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। সবার ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে চাই।”

এই প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণ আলোকচিত্রীরা শুধু তাদের শিল্পমানই নয়, সমাজ পরিবর্তনের প্রতি দায়বদ্ধতাও তুলে ধরেছেন। জাতিসংঘ বাংলাদেশের এই উদ্যোগ তরুণদের সৃজনশীলতা ও সামাজিক চেতনার সমন্বয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।