শিরোনামঃ
বন্ধুমহল থেকে বিশ্ববাজারে ‘দেshe’-এর যাত্রা একবার পূর্বাচল, এবার রূপগঞ্জ—ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় শত শত পরিবার জীবনের লড়াইয়ে একটুকরো আশার আলো—শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন এক জীবনে দু’বার উচ্ছেদ? শিমুলিয়া-মুলাদীতে সরকারের নতুন প্রকল্পে বাড়ছে উদ্বেগ আইসিসিবিতে চলছে আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা: দ্বিতীয় দিনেও বিপুল সমাগম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ সংবিধান সংস্কার: সমঝোতা, নাকি রাজপথের চাপ? রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি

জীবনের লড়াইয়ে একটুকরো আশার আলো—শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

#
news image

মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা। চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া এই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন।

মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ইয়াসমিন আরা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে একজন অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। তবে হঠাৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তার স্বাভাবিক জীবন থমকে যায়। ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারও আর্থিক সংকটে পড়ে।

ইয়াসমিন আরা বলেন, ‘আমার চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। একটি ইনজেকশনের দামই ছিল এক লাখ টাকা। আমার ক্যান্সার থার্ড স্টেজে ধরা পড়েছে এবং লিম্ফ নোডেও ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে আমাকে ওরাল কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে।

এই ওষুধের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘শরীরটা খুব একটা ভালো চলছিল না, তার পরও আমি ক্লাস নিতে যেতাম। স্টুডেন্টরা আমার ক্লাস খুব পছন্দ করে। আমি চাই, শরীরটা আরেকটু ফিট হলে আবার যেন কাজে ফিরতে পারি। বসে থাকতে ভালো লাগে না।
শরীরটা সুস্থ হলে আমি আবার কিছু একটা করতে চাই।’
শিক্ষিকার এই সংকটের কথা জানতে পেরে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তার পাশে দাঁড়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তার পাশে রয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে আমাদের চেয়ারম্যান যেভাবে হাত বাড়িয়েছেন, সমাজের সব বিত্তবান মানুষও যেন এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন—এটাই আমাদের আহ্বান।’

এই সহায়তা ইয়াসমিন আরার জন্য শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস ও আশারও উৎস হয়ে উঠেছে। ক্যান্সারকে জয় করে আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার

২৫-৭-২০২৬ রাত ১১:৩৬

news image

মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা। চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাওয়া এই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন।

মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ইয়াসমিন আরা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে একজন অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। তবে হঠাৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তার স্বাভাবিক জীবন থমকে যায়। ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে গিয়ে পরিবারও আর্থিক সংকটে পড়ে।

ইয়াসমিন আরা বলেন, ‘আমার চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। একটি ইনজেকশনের দামই ছিল এক লাখ টাকা। আমার ক্যান্সার থার্ড স্টেজে ধরা পড়েছে এবং লিম্ফ নোডেও ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে আমাকে ওরাল কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে।

এই ওষুধের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘শরীরটা খুব একটা ভালো চলছিল না, তার পরও আমি ক্লাস নিতে যেতাম। স্টুডেন্টরা আমার ক্লাস খুব পছন্দ করে। আমি চাই, শরীরটা আরেকটু ফিট হলে আবার যেন কাজে ফিরতে পারি। বসে থাকতে ভালো লাগে না।
শরীরটা সুস্থ হলে আমি আবার কিছু একটা করতে চাই।’
শিক্ষিকার এই সংকটের কথা জানতে পেরে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে তার পাশে দাঁড়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তার পাশে রয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে আমাদের চেয়ারম্যান যেভাবে হাত বাড়িয়েছেন, সমাজের সব বিত্তবান মানুষও যেন এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন—এটাই আমাদের আহ্বান।’

এই সহায়তা ইয়াসমিন আরার জন্য শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস ও আশারও উৎস হয়ে উঠেছে। ক্যান্সারকে জয় করে আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।