শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ সংবিধান সংস্কার: সমঝোতা, নাকি রাজপথের চাপ? রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিহ্যাব প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

#
news image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে দেশের আবাসন শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণ, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) বাস্তবায়নে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা এবং আবাসন খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদল জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর দাবি জানায়। একই সঙ্গে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাগুলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রাজধানীতে সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) বাড়ানোর পাশাপাশি উল্লম্ব নগরায়ণকে উৎসাহিত করার প্রস্তাব দেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতিতে আবাসন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এ খাতের বিকাশ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, সরকার আবাসন শিল্পের জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে আবাসন খাতের উন্নয়ন যাতে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্তভাবে হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবাসন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের নগরায়ণকে কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক রাখলে হবে না। দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার

২৩-৭-২০২৬ দুপুর ১২:৩৩

news image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে দেশের আবাসন শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণ, ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) বাস্তবায়নে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা এবং আবাসন খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রিহ্যাবের প্রতিনিধিদল জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর দাবি জানায়। একই সঙ্গে আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবাগুলো সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রাজধানীতে সীমিত ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) বাড়ানোর পাশাপাশি উল্লম্ব নগরায়ণকে উৎসাহিত করার প্রস্তাব দেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতিতে আবাসন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এ খাতের বিকাশ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, সরকার আবাসন শিল্পের জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একই সঙ্গে আবাসন খাতের উন্নয়ন যাতে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্তভাবে হয়, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আবাসন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের নগরায়ণকে কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক রাখলে হবে না। দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।